১৩ গুণীজন পেলেন ‘হুজ হু’ সম্মাননা

শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৩ জন গুণী ব্যক্তি পেলেন ‘হুজ হু’ বাংলাদেশ, ২০১৬ অ্যাওয়ার্ড। রাজধানীর খিলক্ষেতে একটি অভিজাত হোটেলে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ পদক দেওয়া হয়।

পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন শিক্ষায় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, শিল্প ও সংস্কৃতিতে সন্জীদা খাতুন, সাংবাদিকতায় তোয়াব খান, শিল্প ও সাহিত্যে হাসান আজিজুল হক, সামাজিক কর্মকাণ্ডে স্যার ফজলে হাসান আবেদ, ক্রীড়ায় আকরাম খান, কৃষিতে শাইখ সিরাজ, শিল্প-বাণিজ্যে রহিম আফরোজ গ্রুপের পরিচালক নিয়াজ রহিম, উদ্যোক্তায় এসিআই লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম আনিসউদ্দৌলা, নারী উদ্যোক্তায় ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী, দেশের বাইরে অবদান রাখার জন্য ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ও এনাম আলী। এ ছাড়া আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।

এর মধ্যে শারীরিক অসুস্থতার জন্য হাসান আজিজুল হক এবং এনাম আলী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, যাঁদের সম্মাননা দেওয়া হয়েছে, তাঁরা সবাই গুণী। এই অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, হুজ হুর প্রধান উপদেষ্টা এ কে আবদুল মোমেন, প্রধান নির্বাহী নাজিনুর রহমানসহ হুজ হুর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হুজ হু ১৮৪৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যসহ সারা বিশ্বের অনুসরণীয় গুণীজনদের পদক প্রদান ও সংক্ষিপ্ত জীবনী প্রকাশ করে থাকে। এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে ৩৩ হাজার গুণীজনের সংক্ষিপ্ত জীবনী প্রকাশ করেছে হুজ হু।

অনুষ্ঠানে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, ‘সকলেই নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন। আর আমাকে দেওয়া হয়েছে আজীবন সম্মননা। অর্থাৎ, আমার আর কোনো গুণ নেই।’

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘যেকোনো সম্মাননা ভালো কাজের প্রেরণা জোগায়। যাঁরা সম্মাননা দেন, তাঁদেরও প্রত্যাশা থাকে। আমি সে প্রত্যাশা পূরণ করার চেষ্টা করব।’ শাইখ সিরাজ বলেন, বিভিন্ন অঙ্গনে বাংলাদেশের যে সাফল্য ও অগ্রগতি, তা খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।

আমাদের কর্মস্থল

                

ব্র্যাক কুইজ

কোনটি দারিদ্র্য দূরীকরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী?

বিকল্প যোগাযোগ পন্থা