আরবান ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ: তিন ক্যাটাগরিতে পাঁচ দল বিজয়ী

ব্র্যাক আয়োজিত ‘আরবান ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-এ বিজয়ীদের সঙ্গে অতিথিরা

শহরাঞ্চলের স্বাস্থ্য, পরিবহন ও কর্মসংস্থান সমস্যার কার্যকর সমাধানের উপায় উদ্ভাবন করে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হলো পাঁচটি দল। ‘আমাদের শহরের সমস্যা, আমরাই করব সমাধান’ স্লোগান নিয়ে এই ‘আরবান ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-এর আয়োজন করে ব্র্যাক।

আজ রবিবার (৭ মে) মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন পাওয়ার অ্যান্ড পারটিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। ব্র্যাকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন এর স্ট্র্যাটেজি, কমিউনিকেশনস অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট কর্মসূচির উর্ধ্বতন পরিচালক আসিফ সালেহ এবং অ্যাডভোকেসি পর সোশ্যাল চেইঞ্জ কর্মসূচির পরিচালক কেএএম মোরশেদ।

সারা দেশে থেকে প্রায় ছয়শটি দল এই প্রতিযোগিতায় নাম নিবন্ধন করে। প্রাথমিকভাবে ৩৩ টি দলকে মনোনীত করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে টেকসই সামাজিক উদ্যোগের পরিকল্পনা জমা দিতে বলা হয়। এর মধ্যে থেকে ১৩টি দল চূড়ান্ত পর্বে উঠে আসে। তারপর তিন ক্যাটাগরিতে পাঁচটি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করে জুরি বোর্ড। বিজয়ী দলগুলো হল - স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ভূমিজ এবং ব্লাডম্যান; কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে ড্রাইভার মেলা এবং সার্ভিসিং ক্যাম্পাস; পরিবহন ক্ষেত্রে আমার বাইক।

বিজয়ী দলগুলো ব্র্যাক-এর সহায়তায় ছয় মাসের মধ্যে তাদের সমাধান পরিকল্পনা বাস্তবে রূপদানের সুযোগ পাবে। ব্র্যাকের পক্ষ থেকে প্রতিটি বিজয়ী দলকে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনেও সহায়তা দেওয়া হবে।

এছাড়া রানার্স আপ হয়ে সনদপত্র পেয়েছে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে হেলথসক এবং দি নিম স্কোয়াড, কর্মসংস্থানে ব্লু সিন্যাপস, টিম-বি এবং ইউনিগিগ, পরিবহন ক্ষেত্রে বরিশাল-১ এবং স্মার্ট ট্রাফিক। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে আইডেন্টিটি ইনক্লুশান।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী তরূণদের প্রতি মেয়র আনিসুল হক বলেন, ‘শহরের সমস্যা নিরসনে তোমরা যে স্বপ্ন দেখছ, তা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসার জন্য ব্র্যাক প্রশংসার দাবীদার। তোমাদের এই উদ্ভাবনী ভাবনাগুলো থেকে আমরা অনেক সমস্যা মোকাবেলার দিকনির্দেশনা পাব।’

সারা দেশব্যাপী তরুণদের উদ্ভাবনীশক্তিকে নাগরিকদের কল্যাণে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়ায় ব্র্যাককে ধন্যবাদ জানান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা অবশ্যই প্রশংসনীয় কাজ করেছে, এমনকি যারা বিজয়ী হয়েছে তাদের চিন্তাভাবনাও খুব সৃজনশীল। সকলের ভাবনাই আমাদের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর মোকাবেলায় কাজে লাগবে।’

অনুষ্ঠানে আসিফ সালেহ বলেন, ‘নাগরিক সমস্যা সমাধানে উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলোকে সামাজিক উদ্যোগে পরিণত করার সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা আমরা দিতে চাই। ব্র্যাকের ‘আরবান ডেভেলপমেন্ট গ্রোগ্রাম’ (ইউডিপি)-এর অন্যতম লক্ষ্যও এটি। তবে উদ্যোক্তারা আমাদের দেশের মেধাবী তরুণদের পরিচর্যায় এগিয়ে এলে দ্রুত সাফল্য আসবে।’

আমাদের কর্মস্থল

                

ব্র্যাক কুইজ

কোনটি দারিদ্র্য দূরীকরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী?

বিকল্প যোগাযোগ পন্থা